কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি জীবনেও স্বাবলম্বী হচ্ছে কয়েদিরা
=‘রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ’ শ্লোগান বাস্তবায়নে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের হস্তশিল্পসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলছেন। কারাগার মানেই বন্দিদের কারা প্রকোষ্ঠে আটকে রাখা এ ধারণা পাল্টে দিয়েছে এ কারাগার কর্তৃপক্ষ।
এখানে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও মানসিক বিকাশে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে বন্দিদের জীবনমান বদলে দেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ নিয়ে নিপুণ কারিগর হয়ে উঠছেন বন্দিরা। বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বন্দিদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে দেশের অন্যতম প্রাচীন সেবা সংস্থা ঢাকা আহসানিয়া মিশন কর্তৃপক্ষ। এ কারাগারে লেখাপড়া না জানা বন্দিদের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি গণশিক্ষা কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
প্রশিক্ষিত এসব বন্দিরা মুক্তি লাভের পর হস্তশিল্প স্থাপনের মাধ্যমে নতুনভাবে কর্মজীবন শুরুর পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচনসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার সক্ষমতা অর্জন করছেন। এছাড়াও অনেক চিহ্নিত অপরাধী ও মাদকাসক্ত এ কারাগারে যাওয়ার পর তাদের মানসিক বিকাশে উদ্বুদ্ধকরণ করা হয়। এতে এসব বন্দিরা অন্ধকার মাড়িয়ে কারাগার থেকে সুস্থ জীবনে ফিরে এসে আলোর পথে পা বাড়িয়েছেন।
কারাগারের প্রায় ৩০০ বন্দি তাঁত, বাঁশ-বেত, নকশি কাঁথাসহ বিভিন্ন ধরনের গৃহস্থালি ও হস্তশিল্পের কাজে ব্যস্ত থাকেন। কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কারাজীবনেও দক্ষ ও স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন কয়েদিরা। কারাজীবন শেষে তারা যেন আবার অপরাধে না জড়িয়ে পড়েন সেজন্য তাদের শেখানো হচ্ছে নানা রকমের হস্তশিল্পের কাজ। এতে একদিকে যেমন কয়েদিদের মানসিক উন্নয়ন ঘটছে, তেমনি উৎপাদিত পণ্য বিক্রির মুনাফাও পাচ্ছেন তারা।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৬২ সালে কুমিল্লা জেলা কারাগারটিকে কেন্দ্রীয় কারাগারে রূপান্তরিত করা হয় । এর ধারণ ক্ষমতা ১ হাজার ৭শ ৪২ জন হলেও প্রতিনিয়ত গড়ে এ...